Iniciar sesión
¡Crece más allá del Ramadán!
Más información
Iniciar sesión
Iniciar sesión
Seleccionar idioma
50:33
من خشي الرحمان بالغيب وجاء بقلب منيب ٣٣
مَّنْ خَشِىَ ٱلرَّحْمَـٰنَ بِٱلْغَيْبِ وَجَآءَ بِقَلْبٍۢ مُّنِيبٍ ٣٣
مَّنۡ
خَشِيَ
ٱلرَّحۡمَٰنَ
بِٱلۡغَيۡبِ
وَجَآءَ
بِقَلۡبٖ
مُّنِيبٍ
٣٣
tienen temor del Compasivo en privado, y se presentan con un corazón obediente[1]. 1
Tafsires
Capas
Lecciones
Reflexiones.
Respuestas
Qiraat
Hadith
Versos relacionados
Estás leyendo un tafsir para el grupo de versículos 50:30 hasta 50:35

৩০-৩৫ নং আয়াতের তাফসীর: যেহেতু আল্লাহ তা'আলা জাহান্নামকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি ওকে পূর্ণ করবেন, সেহেতু কিয়ামতের দিন যেসব দানব ও মানব ওর যোগ্য হবে তাদেরকে ওর মধ্যে নিক্ষেপ করা হবে এবং আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা ওকে জিজ্ঞেস করবেনঃ “তুমি পূর্ণ হয়েছে কি?” উত্তরে জাহান্নাম বলবেঃ “যদি আরো কিছু পাপী বাকী থাকে তবে তাদেরকেও আমার মধ্যে নিক্ষেপ করুন!” সহীহ বুখারী শরীফে এই আয়াতের তাফসীরে এই হাদীস রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “পাপীদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে এবং সে আরো বেশী চাইতে থাকবে। শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তা'আলা স্বীয় পা তাতে রাখবেন, তখন সে বলবেঃ “যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে।” মুসনাদে আহমাদে এটাও রয়েছে যে, ঐ সময় জাহান্নাম সংকুচিত হয়ে যাবে এবং বলবেঃ আপনার ইযযতের কসম! এখন যথেষ্ট হয়েছে।” আর জান্নাতে জায়গা ফাঁকা থেকে যাবে, শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা একটা নতুন মাখলুক সৃষ্টি করে ঐ জায়গা আবাদ করবেন। সহীহ বুখারীতে রয়েছে যে, একবার জানাত ও জাহানামের মধ্যে কথোপকথন হয়। জাহান্নাম বলেঃ “আমাকে প্রত্যেক অহংকারী ও উদ্ধত ব্যক্তির জন্যে তৈরী করা হয়েছে।” আর জান্নাত বলেঃ “আমার অবস্থা এই যে, যারা দুর্বল লোক, যাদেরকে দুনিয়ায় সম্মানিত মনে করা হতো না তারাই আমার মধ্যে প্রবেশ করবে।” আল্লাহ তাআলা জান্নাতকে বলেনঃ “তুমি আমার রহমত। আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা এই রহমত দান করবে।” আর জাহান্নামকে তিনি বলবেনঃ “তুমি আমার শাস্তি। তোমার মাধ্যমে আমি যাকে ইচ্ছা শাস্তি প্রদান করবে। যা, তোমরা উভয়েই পূর্ণ হয়ে যাবে।” তখন জাহান্নাম তো পূর্ণ হবে না, শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তা'আলা স্বীয় পদ ওতে রাখবেন। তখন সে বলবেঃ “যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে।” ঐ সময় ওটা ভরে যাবে এবং ওর সমস্ত জোড় পর পর সংকুচিত হয়ে যাবে। আল্লাহ তা'আলা স্বীয় মাখলুকের কারো প্রতি কোন যুলুম করবেন না। জান্নাতে যে জায়গা বেঁচে যাবে ওটা পূর্ণ করার জন্যে মহামহিমান্বিত আল্লাহ অন্য মাখলুক সৃষ্টি করবেন। মুসনাদে আহমাদে জাহান্নামের উক্তি নিম্নরূপ রয়েছেঃ “ঔদ্ধত্য প্রকাশকারী ও অহংকারী বাদশাহ ও শরীফ লোকেরা আমার মধ্যে প্রবেশ করবে।” মুসনাদে আবূ ইয়ালায় রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা আমাকে তাঁর সত্তার পরিচিতি প্রদান করবেন। আমি তখন সিজদায় পড়ে যাবো। আল্লাহ তা'আলা তাতে খুবই সন্তুষ্ট হবেন। তারপর আমি তার এমন প্রশংসা করবে যে, তিনি অত্যন্ত খুশী হবেন। এরপর আমাকে শাফাআত করার অনুমতি দেয়া হবে। অতঃপর আমার উম্মত জাহান্নামের উপরের পুল অতিক্রম করতে শুরু করবে। কেউ কেউ তো চোখের পলকে পার হয়ে যাবে। কেউ কেউ তা অতিক্রম করবে দ্রুতগামী ঘোড়ার চেয়েও দ্রুত গতিতে। এমন কি এক ব্যক্তি হাঁটুর ভরে চলতে চলতে তা অতিক্রম করবে এবং এটা হবে আমল অনুযায়ী। আর জাহান্নাম আরো বেশী চাইতে থাকবে। শেষ পর্যন্ত তাল্লাহ তা'আলা তাতে তার পা রেখে দিবেন। তখন সে সংকুচিত হয়ে যাবে এবং বলবেঃ যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে। আমি হাউযের উপর থাকবো।” সহাবীগণ (রাঃ) বললেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! হাউয কি?” উত্তরে তিনি বললেনঃ “আল্লাহর কসম! ওর পানি দুধের চেয়েও সাদা, মধুর চেয়েও মিষ্ট, বৰফের চেয়েও ঠাণ্ডা এবং মৃগনাভী অপেক্ষাও সুগন্ধময়। তথায় বরতন থাকবে ত"কাশের তারকার চেয়েও বেশী। যে ব্যক্তি ওর পানি পেয়ে যাবে সে কখনো তৃষ্ণার্ত হবে না। আর যে ব্যক্তি ওর থেকে বঞ্চিত থাকবে সে কোন জায়গাতেই পান পাবে যদদ্বারা সে পরিতৃপ্ত হতে পারে।”হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, জাহান্নাম বলবেঃ “আমার মধ্যে কোন জায়গা আছে কি যে, আমার মধ্যে আরো বেশী (সংখ্যক দানব ও মানবের অবস্থানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে?” হযরত ইকরামা (রঃ) বলেন যে, জাহান্নাম বলবেঃ “আমার মধ্যে একজনেরও আসার জায়গা আছে কি? আমি তো পরিপূর্ণ হয়ে গেছি।” হযরত মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, ওর মধ্যে জাহান্নামীদেরকে নিক্ষেপ করা হবে, শেষ পর্যন্ত সে বলবেঃ “আমি পূর্ণ হয়ে গেছি।” সে আরো বলবে? “আমার মধ্যে বেশীর জায়গা আছে কি?” ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) প্রথম উক্তিটিকেই গ্রহণ করেছেন। এই দ্বিতীয় উক্তিটির ভাবার্থ এই যে, যেন ঐ গুরুজনদের মতে এই প্রশ্ন এর পরে হবে যে, আল্লহ তা'আলা স্বীয় পদ ওর মধ্যে রেখে দিবেন। এরপর যখন তাকে প্রশ্ন করা হবে, “তুমি কি পরিপূর্ণ হয়েছে?” সে তখন জবাব দিবেঃ “আমার মধ্যে এমন কোন জায়গা বাকী আছে কি যে, কেউ সেখানে আসতে পারে?” অর্থাৎ একটুও জায়গা ফাকা নেই।হযরত আউফী (রঃ) হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ এটা ঐ সময় হবে যখন তাতে একটা সুচ পরিমাণ জায়গাও ফাকা থাকবে না। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। মহান আল্লাহ বলেনঃ জান্নাতকে নিকটস্থ করা হবে অর্থাৎ কিয়ামতের দিন যা দূরে নয়। কেননা, যার আগমন নিশ্চিত সেটাকে দূরে মনে করা হয় না।(আরবী)-এর অর্থ হলোঃ প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী ও গুনাহর কাজ হতে দূরে অবস্থানকারী। হলো ঐ ব্যক্তি যে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে এবং তা ভঙ্গ করে। হযরত উসায়েদ ইবনে উমায়ের (রাঃ) বলেন যে, (আরবী)হলো ঐ ব্যক্তি যে কোন মজলিস হতে উঠে না যে পর্যন্ত না ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং যে পরম করুণাময় আল্লাহকে না দেখেই ভয় করে অর্থাৎ নির্জনেও আল্লাহর ভয় অন্তরে রাখে। হাদীসে আছে যে, ঐ ব্যক্তিও কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের ছায়ায় স্থান পাবে যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তার চক্ষু হতে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে।মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ যারা না দেখে দয়াময় আল্লাহকে ভয় করে এবং বিনীত চিত্তে উপস্থিত হয় তাদেরকে বলা হবেঃ শান্তির সাথে তোমরা ওতে অর্থাৎ জান্নাতে প্রবেশ কর। আল্লাহর সমস্ত শাস্তি হতে তোমরা নিরাপত্তা লাভ করলে। আর ভাবার্থ এও হবে যে, ফেরেশতারা তাদেরকে সালাম করবেন।এটা অনন্ত জীবনের দিন অর্থাৎ তোমরা জান্নাতে যাচ্ছ চিরস্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে, যেখানে কখনো মৃত্যু হবে না, যেখান হতে কখনো বের করে দেয়ার কোন আশংকা থাকবে না এবং স্থানান্তরও করা হবে না। মহান আল্লাহ বলেনঃ সেথায় তারা যা কামনা করবে তাই পাবে এবং আমার নিকট রয়েছে তারো অধিক।হযরত কাসীর ইবনে মুররাহ (রঃ) বলেনঃ -এর মধ্যে এও রয়েছে যে, জান্নাতবাসীর পার্শ্বদিয়ে একখণ্ড মেঘ চলবে যার মধ্য থেকে শব্দ আসবেঃ ‘তোমরা কি চাও? তোমরা যা চাইবে তাই বর্ষিয়ে দিবো।' সুতরাং তারা যা কামনা করবে তাই বর্ষিত হবে। হযরত কাসীর (রঃ) বলেনঃ যদি আল্লাহ তা'আলা আমার নিকট ঐ মেঘ হাযির করে এবং আমি কি চাই তা জিজ্ঞেস করা হয় তবে আমি অবশ্যই বলবেঃ সুন্দর পোশাক পরিহিতা সুন্দরী কুমারী যুবতী মহিলা বর্ষণ করা হোক।রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “তোমাদের যে পাখীরই গোশত খাওয়ার ইচ্ছা হবে, তৎক্ষণাৎ ওটা ভাজা অবস্থায় তোমাদের সামনে হাযির হয়ে যাবে।”মুসনাদে আহমাদের মারফু হাদীসে রয়েছেঃ “জান্নাতবাসী যদি সন্তান চায় তবে একই সময়ে গর্ভধারণ, সন্তান প্রসব ও সন্তানের যৌবনাবস্থা হয়ে যাবে।” (এ হাদীসটি হযরত আবু সাইদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে। ইমাম তিরমিযী (রঃ) এটাকে হাসান গারীব বলেছেন) জামে তিরমিযীতে রয়েছেঃ “সে যেভাবে চাইবে সেভাবেই হয়ে যাবে। মহান আল্লাহ বলেনঃ আমার নিকট রয়েছে আরো অধিক। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “যারা ভাল কাজ করেছে তাদের জন্যে উত্তম পুরস্কার রয়েছে এবং আরো অধিক রয়েছে।” (১০:২৬)সুহায়েব ইবনে সিনান রূমী (রঃ) বলেন যে, এই আধিক্য হচ্ছে আল্লাহ তা'আলার দর্শন। হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) বলেন যে, জান্নাতবাসীরা প্রত্যেক শুক্রবারে আল্লাহর দর্শন লাভ করবে। (আরবী)-এর অর্থ এটাই। হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত জিবরাঈল (আঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট একটি সাদা দর্পণ নিয়ে আগমন করেন যার মধ্যস্থলে একটি বিন্দু ছিল। রাসূলুল্লাহ (সঃ) জিজ্ঞেস করেনঃ “এটা কি?' উত্তরে হযরত জিবরাঈল (আঃ) বলেনঃ “এটা জুমআর দিন, যা খাস করে আপনাকে ও আপনার উম্মতকে দান করা হয়েছে, যাতে সবাই আপনাদের পিছনে রয়েছে, ইয়াহূদীরাও এবং খৃষ্টানরাও। এতে বহু কিছু কল্যাণ ও বরকত রয়েছে। এতে এমন এক সময় রয়েছে যে, ঐ সময় আল্লাহর নিকট যা চাওয়া হয় তা পাওয়া যায়। আমাদের ওখানে এর নাম হলো , (আরবী) বা আধিক্যের দিন।” নবী (সঃ) জিজ্ঞেস করলেনঃ “হে জিবরাঈল (আঃ)! (আরবী)কি?” জিবরাঈল (আঃ) উত্তরে বললেনঃ “আপনার প্রতিপালক জান্নাতুল ফিরদাউসে একটি প্রশস্ত ময়দান বানিয়েছেন যাতে মৃগনাভির টিলা রয়েছে। জুমআর দিন আল্লাহ তা'আলা স্বীয় ইচ্ছানুযায়ী ফেরেশতাদেরকে অবতীর্ণ করেন। ওর চতুর্দিকে আলোর মিম্বরসমূহ থাকে যেগুলোতে নবীগণ (আঃ) উপবেশন করেন। শহীদ ও সিদ্দীকগণ তাঁদের পিছনে ঐ মৃগনাভীর টিলাগুলোর উপর থাকবেন। মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলবেনঃ “আমি তোমাদের সাথে কৃত ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছি। এখন তোমরা আমার নিকট যা ইচ্ছা চাও, পাবে।” তাঁরা সবাই বলবেনঃ “হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা আপনার সন্তুষ্টি চাই।” তখন আল্লাহ তা'আলা বলবেনঃ “আমি তো তোমাদের উপর সন্তুষ্ট হয়েই গেছি। এ ছাড়াও তোমরা চাও, পাবে। আমার নিকট আরো অধিক রয়েছে। তারা তখন জুমআর দিনকে পছন্দ করবেন। কেননা, ঐ দিনেই তারা বহু কিছু নিয়ামত লাভ করেন। এটা ঐ দিন যেই দিন আপনার প্রতিপালক আরশের উপর সমাসীন হবেন। ঐ দিনেই হযরত আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়। ঐ দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।” (এ হাদীসটি মুসনাদে ইমাম শাফেয়ীতে বর্ণিত হয়েছে। ইমাম শাফেয়ী (রঃ) তাঁর কিতাবুল উম্মের কিতাবুল জুমআর মধ্যেও এ হাদীসটি আনয়ন করেছেন)ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) এই আয়াতের তাফসীরে একটি খুব বড় ‘আসার’ আনয়ন করেছেন যাতে বহু কথাই গারীব বা দুর্বল। হযরত আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “জান্নাতী ব্যক্তি জান্নাতের মধ্যে সত্তর বছর পর্যন্ত এক দিকেই মুখ করে বসে থাকবে। অতঃপর একজন হুর আসবে যে তার স্কন্ধে হাত রেখে তার দৃষ্টি নিজের দিকে ফিরিয়ে দিবে। সে এমন সুন্দরী হবে যে, সে তার গণ্ডদেশে তার চেহারা এমনভাবে দেখতে পাবে যেমনভাবে আয়নায় দেখা যায়। সে যেসব অলংকার পরে থাকবে ওগুলোর এক একটি ক্ষুদ্র মুক্তা এমন হবে যে, ওর কিরণে সারা দুনিয়া উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। সে সালাম দিবে, তখন ঐ জান্নাতী উত্তর দিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করবেঃ “তুমি কে?” সে উত্তরে বলবেঃ “আমি হলাম সে-ই যাকে কুরআনে বলা হয়েছে। তার গায়ে সত্তরটি হুল্লা (পোশাক বিশেষ) থাকবে, এতদসত্ত্বেও তার সৌন্দর্য ও ঔজ্জ্বল্যের কারণে বাহির হতেই তার পদনালীর মজ্জা দৃষ্টিগোচর হবে। তার মাথায় মণি-মুক্তা বসানো মুকুট থাকবে যার সমান্যতম মুক্তা পূর্ব ও পশ্চিমকে আলোকিত করার পক্ষে যথেষ্ট হবে।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ বর্ণনা করেছেন)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Lea, escuche, busque y reflexione sobre el Corán

Quran.com es una plataforma confiable utilizada por millones de personas en todo el mundo para leer, buscar, escuchar y reflexionar sobre el Corán en varios idiomas. Ofrece traducciones, tafsir, recitaciones, traducción palabra por palabra y herramientas para un estudio más profundo, haciendo que el Corán sea accesible para todos.

Como Sadaqah Jariyah, Quran.com se dedica a ayudar a las personas a conectar profundamente con el Corán. Con el apoyo de Quran.Foundation , una organización sin fines de lucro 501(c)(3), Quran.com continúa creciendo como un recurso gratuito y valioso para todos, Alhamdulillah.

Navegar
Inicio
Radio Coránica
Recitadores
Sobre nosotros
Desarrolladores
Actualizaciones de productos
Retroalimentación
Ayuda
Donar
Nuestros Proyectos
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Quran.AI
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Proyectos sin fines de lucro adquiridos, administrados o patrocinados por Quran.Foundation
Enlaces populares

Ayatul Kursi

Yasin

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqiah

Al-Kahf

Al Muzzammil

Mapa del sitio webPrivacidadTérminos y condiciones
© 2026 Quran.com. Reservados todos los derechos