Masuk
Terus bertumbuh Selepas Ramadan!
Pelajari lebih lanjut
Masuk
Masuk
Pilih Bahasa
27:41
قال نكروا لها عرشها ننظر اتهتدي ام تكون من الذين لا يهتدون ٤١
قَالَ نَكِّرُوا۟ لَهَا عَرْشَهَا نَنظُرْ أَتَهْتَدِىٓ أَمْ تَكُونُ مِنَ ٱلَّذِينَ لَا يَهْتَدُونَ ٤١
قَالَ
نَكِّرُوۡا
لَهَا
عَرۡشَهَا
نَـنۡظُرۡ
اَتَهۡتَدِىۡۤ
اَمۡ
تَكُوۡنُ
مِنَ
الَّذِيۡنَ
لَا
يَهۡتَدُوۡنَ‏
٤١
Dia (Sulaiman) berkata, "Ubahlah untuknya singgasananya; kita akan melihat apakah dia (Balqis) mengenalnya atau tidak mengenalnya lagi."
Tafsir
Lapisan
Pelajaran
Refleksi
Jawaban
Qiraat
Hadits
Anda sedang membaca tafsir untuk kelompok ayat dari 27:41 hingga 27:43

৪১-৪৩ নং আয়াতের তাফসীরবিলকীসের সিংহাসনটি এসে যাওয়ার পর হযরত সুলাইমান (আঃ) নির্দেশ দিলেনঃ “সিংহাসনটিতে কিছুটা পরিবর্তন আনয়ন কর।” সুতরাং তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী ওর কিছু হীরা জওহর পরিবর্তন করা হলো, রঙও কিছুটা বদলিয়ে দেয়া হলো এবং নীচ ও উপর হতেও কিছু পরিবর্তন করা হলো, তাছাড়া কিছু কম-বেশীও করা হলো। বিলকীস তার সিংহাসনটি চিনতে পারে কি-না তা পরীক্ষা করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। সে পৌঁছে গেলে তাকে জিজ্ঞেস করা হলোঃ “এটাই কি তোমার সিংহাসন?” উত্তরে সে বললোঃ “আমার সিংহাসনটি হুবহু এই রূপই বটে।” এই উত্তর দ্বারা তার দূরদর্শিতা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পাওয়া যাচ্ছে। কেননা, সে দেখছে যে, সিংহাসনটি সম্পূর্ণরূপে তার সিংহাসনেরই মত। কিন্তু ওটা সেখানে পৌঁছা অসম্ভব বলেই সে এইরূপ উত্তর দিয়েছিল। হযরত সুলাইমান (আঃ) বললেনঃ “এর পূর্বেই আমাদেরকে প্রকৃত জ্ঞান দান করা হয়েছে এবং আমরা আত্মসমর্পণও করেছি।” বিলকীসকে আল্লাহ ছাড়া অন্যের ইবাদত এবং তার কুফরী আল্লাহর একত্ববাদ হতে ফিরিয়ে রেখেছিল। অথবা এও হতে পারে যে, হযরত সুলাইমান (আঃ) বিলকীসকে গায়রুল্লাহর ইবাদত হতে বিরত রেখেছিলেন। ইতিপূর্বে সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু প্রথম উক্তিটির পৃষ্ঠপোষকতা এ জিনিসটিও করছে যে, রাণী বিলকীস তার ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা প্রাসাদে প্রবেশের পরে করেছিল। যেমন এটা সত্বরই আসছে।হযরত সুলাইমান (আঃ) জ্বিনদের দ্বারা একটি প্রাসাদ নির্মাণ করিয়েছিলেন যা শুধু শীশা ও কাঁচ দ্বারা নির্মিত ছিল। শীশা ছিল খুবই স্বচ্ছ। তথায় আগমনকারী ওটাকে শীশা বলে চিনতে পারতো না, বরং মনে করতো যে, ওগুলো পানি ছাড়া কিছুই নয়। অথচ আসলে পানির উপরে শীশার ফারাশ ছিল।কারো কারো ধারণী এই যে, এই শিল্প-চাতুর্যপূর্ণ কাজের দ্বারা হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর উদ্দেশ্য ছিল বিলকীসকে বিয়ে করা। কিন্তু তিনি শুনেছিলেন যে তার পায়ের গোছা খুবই নিকৃষ্ট এবং তার পায়ের গিঠ চতুষ্পদ জন্তুর ক্ষুরের মত। এর সত্যাসত্য যাচাই করার জন্যেই তিনি এইরূপ করেছিলেন। যখন সে এখানে আসতে শুরু করে তখন সামনে পানির হাউয দেখে পায়ের গোছা হতে কাপড় উঠিয়ে নেয়। ফলে হযরত সুলাইমান (আঃ) তার পায়ের গোছা দেখে নেন এবং তিনি এটা নিশ্চিতরূপে জেনে নেন যে, তার পায়ের গোছর যে দোষের কথা তিনি শুনেছিলেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার পায়ের গোছা ও পা সম্পূর্ণরূপে মানুষের পায়ের মতই। হ্যাঁ, তবে সে অবিবাহিতা সম্রাজ্ঞী ছিল বলে তার পায়ের গোছায় বড় বড় চুল বা লোম ছিল। হযরত সুলাইমান (আঃ) তাকে ঐ লোমগুলো ক্ষুর দ্বারা কামিয়ে ফেলবার পরামর্শ দেন। কিন্তু সে বলে যে, এটা সে সহ্য করতে পারবে না। তখন তিনি জ্বিনদেরকে এমন একটা জিনিস তৈরী করতে নির্দেশ দেন যার দ্বারা ঐ লোম আপনা আপনিই উঠে যায়। তখন জ্বিনেরা মলম পেশ করে। এ ওষুধ সর্ব প্রথম হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর নির্দেশক্রমেই আবিষ্কৃত হয়। বিলকীসকে প্রাসাদে আহ্বান করার কারণ ছিল এই যে, সে যেন তার নিজের রাজ্য হতে, দরবার হতে, শান-শওকত ও সাজ-সরঞ্জাম হতে এবং আরাম-আয়েশ হতে, এমনকি নিজ হতেও শ্রেষ্ঠতর অস্তিত্ব অবলোকন করতে পারে এবং নিজের উচ্চ মান-মর্যাদার কথা ভুলে যেতে পারে। এর ফলে নিজের দর্প ও অহংকারের পরিসমাপ্তি ছিল অবশ্যম্ভাবী।অতঃপর যখন বিলকীস ভিতরে আসতে শুরু করলো এবং হাউযের নিকট পৌছলো তখন ওটাকে তরঙ্গায়িত নদী মনে করে পাজামা উঠিয়ে নেয়। তৎক্ষণাৎ তাকে বলা হয়ঃ “তুমি ভুল করছে। এটা তো শীশা মণ্ডিত। সুতরাং তুমি পা না ভিজিয়েই এর উপর দিয়ে চলে আসতে পার।” যখন সে হযরত সুলা (আঃ)-এর নিকট পৌছলো তখনই তিনি তার কানে তাওহীদের বাণী পৌছিয়ে দেন এবং সূর্যপূজার নিন্দাবাণী তাকে শুনিয়ে দেন। প্রাসাদে প্রবেশ করেই এর হাকীকত তার দৃষ্টিগোচর হলো এবং দরবারের শান-শওকত ও জাক-জমক দেখেই সে বুঝতে পারলো যে, এর সাথে তো তার দরবারের তুলনাই হয় না। নীচে পানি আছে এবং উপরে আছে শীশা। মধ্যভাগে আছে হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর সিংহাসন। উপর হতে পক্ষীকুল ছায়া করে রয়েছে। দানব ও মানব সবাই হাযির আছে এবং তার নির্দেশ মানবার জন্যে প্রস্তুত রয়েছে। যখন তিনি তাকে তাওহীদের দাওয়াত দিলেন তখন সে যিন্দীকদের (আল্লাহর একত্ববাদে অবিশ্বাসীদের) মতই জবাব দিলো। এতে মহাপ্রতাপান্বিত আল্লাহর সামনে ঔদ্ধত্য প্রকাশ পেলো। তার উত্তর শুনেই হযরত সুলাইমান (আঃ) সিজদায় পড়ে গেলেন এবং তাঁকে সিজদাবনত অবস্থায় দেখে তাঁর সব লোক-লকরও সিজদাবনত হলো। এতে বিলকীস খুবই লজ্জিত হলো। এরপর হযরত সুলাইমান (আঃ) তাকে ধমকের সুরে বললেনঃ “তুমি কি বললে?” সে উত্তরে বললোঃ “আমার ভুল হয়ে গেছে।” তৎক্ষণাৎ সে প্রতিপালকের দিকে ঝুঁকে পড়লো এবং বলে উঠলোঃ “হে আমার প্রতিপালক! আমি তো নিজের প্রতি যুলুম করেছিলাম, আমি সুলাইমান (আঃ)-এর সহিত জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ করছি।” এভাবে সে খাটি অন্তরে মুসলমান হয়ে গেল।হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, হযরত সুলাইমান (আঃ) যখন তার সিংহাসনের উপর উপবেশন করতেন তখন ওর পার্শ্ববর্তী চেয়ারসমূহের উপর মানুষ বসতো, ওর পার্শ্ববর্তী চেয়ারগুলোর উপর জ্বিনেরা বসতো, তারপর শয়তানরা বসতো। অতঃপর বাতাস ঐ সিংহাসন নিয়ে উড়ে চলতো। এর পর পাখীগুলো এসে পালক দ্বারা ছায়া করতো। তারপর তাঁর নির্দেশক্রমে বাতাস সকাল বেলায় তাঁকে এক মাসের পথ অতিক্রম করাতো। অনুরূপভাবে সন্ধ্যা বেলায়ও এক মাসের পথের মাথায় পৌছিয়ে দিতো। এভাবে একদা তিনি চলতেছিলেন। হঠাৎ তিনি পাখীসমূহের খোঁজ-খবর নিলেন, তখন তিনি হুদহুদকে অনুপস্থিত পেলেন। তাই তিনি বললেনঃ “ব্যাপার কি, হুদহুদকে দেখছি না যে! সে অনুপস্থিত না কি? অনুপস্থিতির সে উপযুক্ত কারণ না দর্শালে আমি অবশ্যই তাকে কঠিন শাস্তি দিবো অথবা যবাহ করেই ফেলবো।”এরপর অনতিবিলম্বে হুদহুদ এসে পড়লো এবং তার সাবা’ নামক দেশে গমন করা এবং তথা হতে খবর আনার কথা তাঁর নিকট বর্ণনা করলো।হযরত সুলাইমান (আঃ) তখন তার সত্যতা পরীক্ষার জন্যে সাবা’ দেশের সম্রাজ্ঞীর নামে একটি চিঠি লিখে তাকে দিলেন এবং পুনরায় তাকে সেখানে। পাঠালেন। ঐ চিঠির মাধ্যমে তিনি সম্রাজ্ঞীকে নির্দেশ দিলেন যে, সে যেন মুসলমান হয়ে তাঁর নিকট চলে আসে। ঐ চিঠি পাওয়া মাত্র সম্রাজ্ঞীর অন্তরে চিঠি ও ওর লেখকের প্রতি সম্মান ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সে তার সভাষদবর্গের সাথে পরামর্শ করে। তারা তাদের শক্তির গর্বে গর্বিত হয়ে বলে“আমরা মুকাবিলা করার জন্যে প্রস্তুত রয়েছি, শুধু আপনার হুকুমের অপেক্ষা। করছি।” কিন্তু সম্রাজ্ঞী তার মন্দ পরিণাম ও পরাজয়ের কথা চিন্তা করে মুকাবিলা করা হতে বিরত থাকে। সে হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর সাথে বন্ধুত্ব স্থাপনের চেষ্টা এইভাবে করে যে, সে তার কাছে কিছু উপঢৌকন প্রেরণ করে যা তিনি ফিরিয়ে দেন এবং তার রাজ্য আক্রমণের হুমকি দেন। এখন সম্রাজ্ঞী হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর সাথে মিলিত হওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। যখন তারা তাঁর সাম্রাজ্যের নিকটবর্তী হয়ে যায় এবং হযরত সুলাইমান (আঃ) সম্রাজ্ঞীর সেনাবাহিনীর পদ-ধূলি উড়তে দেখেন তখন তিনি তার অধীনস্থদেরকে তার সিংহাসনটি অতিসত্বর তাঁর কাছে হাযির করার নির্দেশ দেন। একজন জ্বিন বলে- “ঠিক আছে, আপনি আপনার স্থান হতে উঠবার পূর্বেই আমি ওটা এনে দিবো এবং এই ব্যাপারে আমি অবশ্যই ক্ষমতাবান ও বিশ্বস্ত।” হযরত সুলাইমান (আঃ) বলেনঃ “এরও পূর্বে আনা কি সম্ভব নয়?” তাঁর এ প্রশ্ন শুনে ঐ জ্বিন তো নীরব হয়ে গেল, কিন্তু কিতাবের জ্ঞান যার ছিল সে বললোঃ “আপনি চক্ষুর পলক ফেলবার পূর্বেই আমি ওটা আপনার নিকট হাযির করে দিবো।” ইত্যবসরেই যখন হযরত সুলাইমান (আঃ) সিংহাসনটি তার সামনে রক্ষিত অবস্থায় দেখলেন তখন তিনি মহামহিমান্বিত আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন এবং ঐ সিংহাসনের কিছুটা পরিবর্তন আনয়নের পরামর্শ দিলেন। বিলকীসের আগমন মাত্রই হযরত সুলাইমান (আঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ “তোমার সিংহাসনটি কি এই রূপই?” উত্তরে সে বললোঃ “এটা তো যেন ওটাই।” বিলকীস হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর কাছে দু’টি জিনিস চাইলো। একটি হলো ঐ পানি যা না যমীন হতে বের হয়েছে, না আসমান হতে বর্ষিত হয়েছে। হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর অভ্যাস ছিল এই যে, কিছু জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন হলে প্রথমে তিনি মানবদেরকে জিজ্ঞেস করতেন, তারপর দানবদেরকে এবং সবশেষে শয়তানদেরকে জিজ্ঞেস করতেন। এই প্রশ্নের উত্তরে শয়তানরা হযরত সুলাইমান (আঃ)-কে বললোঃ “এটা কোন কঠিন কিছু নয়। আপনি ঘোড়া তাড়িয়ে দিন এবং ওর ঘর্ম দ্বারা পাত্র পূর্ণ করুন।” বিলকীসের এই চাহিদা পূর্ণ হলে সে দ্বিতীয় প্রশ্ন করলোঃ “আচ্ছা, বলুন তো আল্লাহ তা'আলার রঙ কেমন?” এ কথা শোনা মাত্রই হযরত সুলাইমান (আঃ) লাফিয়ে উঠেন এবং তৎক্ষণাৎ সিজদায় পতিত হন এবং আল্লাহ তাআলার নিকট আরয করেনঃ “হে আমার প্রতিপালক! সে আমাকে এমন প্রশ্ন করেছে যে প্রশ্ন আমি আপনাকে করতে পারি।” আল্লাহ তা'আলা বললেনঃ “তুমি নিশ্চিত থাকো, তাদের ব্যাপারে আমিই তোমার জন্যে যথেষ্ট।” অতঃপর তিনি সিজদা হতে মাথা উঠিয়ে বিলকীসকে জিজ্ঞেস করলেনঃ “তুমি কি জিজ্ঞেস করেছিলে?” জবাবে সে বললোঃ “আমি আপনাকে পানি সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলাম এবং আপনি তা পূর্ণ করেছেন। আর কোন প্রশ্ন তো আমি করিনি।” সে স্বয়ং এবং তার সৈন্যরা সবাই দ্বিতীয় প্রশ্নটি ভুলেই যায়। হযরত সুলাইমান (আঃ) সম্রাজ্ঞীর সৈন্যদেরকেও জিজ্ঞেস করেন। তারাও একই উত্তর দেয় যে, বিলকীস পানি ছাড়া অন্য কিছু সম্পর্কে কোন প্রশ্ন করেনি।শয়তানরা ধারণা করলো যে, যদি হযরত সুলাইমান (আঃ) বিলকীসকে পছন্দ করে নেন এবং তাকে বিয়ে করে ফেলেন, আর ছেলে-মেয়েরও জন্ম হয়ে যায় তবে তিনি তাদের (শয়তানদের) থেকে চিরতরে বিদায় গ্রহণ করবেন। তাই তারা হাউজ তৈরী করলো ও তা পানি দ্বারা পূর্ণ করে দিলো এবং উপরে কাচের ফারাশ তৈরী করলো। তারা ওটা এমনভাবে তৈরী করলো যে, দর্শকরা ওকে পানিই মনে করে, পানির উপরে যে কিছু আছে তা তারা বুঝতেই পারে না। বিলকীস দরবারে আসলো এবং ওখান দিয়ে আসার ইচ্ছা করলো, কিন্তু ওটাকে পানি মনে করে নিজের পাজামা উঠিয়ে নিলো। হযরত সুলাইমান (আঃ) তার। পায়ের গোছার নোম দেখে তা অপছন্দ করলেন এবং সাথে সাথেই বললেনঃ “পায়ের লোমগুলে দূর করে দেয়ার চেষ্টা কর।” তার লোকেরা বললোঃ “ক্ষুর দ্বারা এগুলো দূর করা সম্ভব।” তখন সুলাইমান (আঃ) বললেনঃ “ক্ষুরের চিহ্নও আমি পছন্দ করি না। সুতরাং অন্য কোন পন্থা বাতলিয়ে দাও।” তখন শয়তানরা এক প্রকার মলম বা মালিশ তৈরী করলো, যা লাগানো মাত্রই লোমগুলো উঠে গেল। লোম উঠানো মলম সর্বপ্রথম হযরত সুলাইমানের নির্দেশক্রমেই তৈরী করা হয়। (এটা ইমাম আবু বকর ইবনে আবি শায়বা (রঃ) বর্ণনা করেছেন) কিন্তু এটা বর্ণনা করার পর তিনি লিখেছেন যে, এটা শুনতে খুব ভাল গল্প বটে, কিন্তু এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন গল্প। আতা ইবনে সায়েব (রঃ) ভুলক্রমে হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর নাম দিয়ে এটা বর্ণনা করেছেন। খুব সম্ভব এটা বানী ইসরাঈলের দফতর হতে নেয়া হয়েছে যা কা'ব (রঃ) ও অহাব (রঃ) মুসলমানদের মধ্যে চালু করে দিয়েছিলেন। আল্লাহ তাদের ক্ষমা করুন। বানী ইসরাঈলরা তো অতিরঞ্জন প্রিয়। তারা অনেক কিছু নিজেরাই বানিয়ে নেয়। আল্লাহর হাজার শুকর যে, আমরা তাদের মুখাপেক্ষী নই। আল্লাহ আমাদেরকে তাঁর নবী (সঃ)-এর মাধ্যমে এমন এক পবিত্র গ্রন্থ দান করেছেন যা সবদিক দিয়েই তাদের অপেক্ষা বহুগুণে উত্তম ও উপকারী। সুতরাং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার জন্যেই।।(আরবি) বলা হয় প্রাসাদকে এবং প্রত্যেক উচ্চ ইমারতকে। যেমন অভিশপ্ত ফিরাউন তার উযীর হামানকে বলেছিলঃ (আরবি) অর্থাৎ “হে হামান! তুমি আমার জন্যে একটি উচ্চ প্রাসাদ নির্মাণ কর।” (৪০: ৩৬) ইয়ামনের একটি বিশেষ প্রসিদ্ধ ও সুউচ্চ প্রাসাদের নামও (আরবি) ছিল। এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ঐ ভিত্তি যা খুবই দৃঢ় ও মযবূত। হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর ঐ প্রাসাদটি কাঁচ ও স্বচ্ছ স্ফটিক মণ্ডিত ছিল। বিলকীস যখন হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর এই শান-শওকত ও জাক-জমক অবলোকন করলো এবং সাথে সাথে তাঁর উত্তম চরিত্র ও গুণ স্বচক্ষে দেখলো তখন তার দৃঢ় বিশ্বাস হলো যে, তিনি আল্লাহর সত্য রাসূল। তৎক্ষণাৎ সে মুসলমান হয়ে গেল। নিজের পূর্ব জীবনের শিরক ও কুফরী হতে তাওবা করে দ্বীনে সুলাইমানী (আঃ)-এর অনুগত হয়ে গেল। এরপর সে ঐ আল্লাহর ইবাদত করতে শুরু করলো যিনি সৃষ্টিকর্তা, অধিকর্তা, ব্যবস্থাপক এবং পূর্ণ স্বেচ্ছাচারী।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Baca, Dengarkan, Cari, dan Renungkan Al Quran

Quran.com adalah platform tepercaya yang digunakan jutaan orang di seluruh dunia untuk membaca, mencari, mendengarkan, dan merefleksikan Al-Qur'an dalam berbagai bahasa. Platform ini menyediakan terjemahan, tafsir, tilawah, terjemahan kata demi kata, dan berbagai alat untuk pembelajaran yang lebih mendalam, sehingga Al-Qur'an dapat diakses oleh semua orang.

Sebagai sebuah Sadaqah Jariyah, Quran.com berdedikasi untuk membantu orang-orang terhubung secara mendalam dengan Al-Qur'an. Didukung oleh Quran.Foundation , sebuah organisasi nirlaba 501(c)(3), Quran.com terus berkembang sebagai referensi yang sangat bernilai dan gratis untuk semua orang, Alhamdulillah.

Navigasi
Halaman Utama
Radio Qur'an
Qari
Tentang Kami
Pengembang
Pengkinian Produk
Beri Masukan
Bantuan
Proyek Kami
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Quran.AI
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Proyek nirlaba yang dimiliki, dikelola, atau disponsori oleh Quran.Foundation
Link populer

Ayat Kursi

Surah Yasin

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahfi

Surah Al Muzzammil

Peta situsKerahasiaanSyarat dan Ketentuan
© 2026 Quran.com. Hak Cipta Terlindungi