Ingia
Jiendeleze Baada ya Ramadhani!
Jifunze zaidi
Ingia
Ingia
Chagua Lugha
11:17
افمن كان على بينة من ربه ويتلوه شاهد منه ومن قبله كتاب موسى اماما ورحمة اولايك يومنون به ومن يكفر به من الاحزاب فالنار موعده فلا تك في مرية منه انه الحق من ربك ولاكن اكثر الناس لا يومنون ١٧
أَفَمَن كَانَ عَلَىٰ بَيِّنَةٍۢ مِّن رَّبِّهِۦ وَيَتْلُوهُ شَاهِدٌۭ مِّنْهُ وَمِن قَبْلِهِۦ كِتَـٰبُ مُوسَىٰٓ إِمَامًۭا وَرَحْمَةً ۚ أُو۟لَـٰٓئِكَ يُؤْمِنُونَ بِهِۦ ۚ وَمَن يَكْفُرْ بِهِۦ مِنَ ٱلْأَحْزَابِ فَٱلنَّارُ مَوْعِدُهُۥ ۚ فَلَا تَكُ فِى مِرْيَةٍۢ مِّنْهُ ۚ إِنَّهُ ٱلْحَقُّ مِن رَّبِّكَ وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يُؤْمِنُونَ ١٧
أَفَمَن
كَانَ
عَلَىٰ
بَيِّنَةٖ
مِّن
رَّبِّهِۦ
وَيَتۡلُوهُ
شَاهِدٞ
مِّنۡهُ
وَمِن
قَبۡلِهِۦ
كِتَٰبُ
مُوسَىٰٓ
إِمَامٗا
وَرَحۡمَةًۚ
أُوْلَٰٓئِكَ
يُؤۡمِنُونَ
بِهِۦۚ
وَمَن
يَكۡفُرۡ
بِهِۦ
مِنَ
ٱلۡأَحۡزَابِ
فَٱلنَّارُ
مَوۡعِدُهُۥۚ
فَلَا
تَكُ
فِي
مِرۡيَةٖ
مِّنۡهُۚ
إِنَّهُ
ٱلۡحَقُّ
مِن
رَّبِّكَ
وَلَٰكِنَّ
أَكۡثَرَ
ٱلنَّاسِ
لَا
يُؤۡمِنُونَ
١٧
Tafsir
Tabaka
Mafunzo
Tafakari
Majibu
Qiraat
Hadithi

এখানে আল্লাহ তাআ’লা ঐ মু’মিনদের অবস্থার সংবাদ দিচ্ছেন যারা তাঁর সেই প্রকৃতির উপর রয়েছে যার উপর তিনি তাঁর বান্দাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। যারা তাঁর একত্ববাদকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করে অর্থাৎ যারা স্বীকার করে যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউই উপাস্য নেই। যেমন আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ “তুমি তোমার মুখমন্ডলকে একনিষ্ট ধর্মের উপর প্রতিষ্ঠিত কর, এটা হচ্ছে আল্লাহর প্রকৃতি যার উপর তিনি মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন।” সহীহ্ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “প্রত্যেকটি সন্তান (ইসলামী) প্রকৃতির উপর জন্মগ্রহণ করে থাকে। অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইয়াহুদী, খৃস্টান ও মাজূস বানিয়ে দেয়। যেমন পশুর বাচ্চা নিখুঁত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিশিষ্ট হয়েই ভূমিষ্ঠ হয়ে থাকে। তোমরা কি ওকে কান কাটা অবস্থায় দেখতে পাও (অর্থাৎ জন্মের সময় ওর কান কাটা থাকে না, বরং পরে মানুষই তার কান কেটে থাকে)?”সহীহ মুসলিমে হযরত আইয়ায ইবনু হাম্মাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ “আমি আমার বান্দাদেরকে একত্ববাদীরূপেই সৃষ্টি করেছি। কিন্তু শয়তান তাদেরকে তাদের দ্বীন হতে বিভ্রান্ত করেছে এবং তাদের উপর আমি যা হালাল করিছে তা হারাম করেছে। আর তাদেরকে আদেশ করেছে যে, তারা যেন আমার সাথে এমন কিছুকে শরীক করে, আমি যার কোন দলীল প্রমাণ অবতীর্ণ করি নাই।”মুসনাদ ও সুনানে রয়েছেঃ “প্রতিটি সন্তান এই মিল্লাতের উপরই জন্মগ্রহণ করে। অবশেষে তার বাকশক্তি খুলে দেয়া হয়।” সুতরাং মু'মিন এই ফিতরাতের উপরই বাকি থেকে যায়। অতএব, একদিকে তো তার ফিতরাত বা প্রকৃতি সঠিক ও নিখুঁত হয়, অপর দিকে তার কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে স্বাক্ষী এসে থাকে। তা হচ্ছে মহান শরীয়ত, যা তিনি নবীদেরকে দিয়েছেন এবং এসব শরীয়ত হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর শরীয়তের উপর শেষ হয়ে গেছে। এ জন্যেই হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ), হযরত মুজাহিদ (রঃ), হযরত ইকরামা (রঃ), হযরত আবু আলিয়া (রঃ), হযরত যহ্‌হাক (রঃ), হযরত ইবরাহীম নাখয়ী (রঃ), হযরত সুদ্দী (রঃ) প্রভৃতি গুরুজন (আরবি) সম্পর্কে বলেন যে, এই সাক্ষী হচ্ছেন হযরত জিব্রাইল (আঃ)। আর হযরত আলী (রাঃ), হযরত হাসান (রাঃ) এবং হযরত কাতাদা’ (রঃ) বলেন যে, এই সাক্ষী হচ্ছেন হযরত মুহাম্মদ (সঃ)। অর্থের দিক দিয়ে এ দুটো প্রায় সমান। কেননা হযরত জিব্রাইল (আঃ) ও হযরত মুহাম্মদ (সঃ) উভয়েই আল্লাহ তাআ’লার রিসালত প্রচার করেছেন। হযরত জিব্রাঈল (আঃ) পৌঁছিয়ে দিয়েছেন হযরত মুহাম্মদের (সঃ) কাছে এবং হযরত মুহাম্মদ (সঃ) পৌঁছিয়ে দিয়েছেন তাঁর উম্মতের কাছে। আবার বলা হয়েছে যে, এই সাক্ষী হচ্ছেন হযরত আলী (রাঃ) কিন্তু এটা দুর্বল উক্তি। এর কোন উক্তিকারী সাব্যস্ত হয় নাই। প্রথম ও দ্বিতীয় উক্তিই সত্য।সুতরাং মু’মিনের ফিতরাত বা প্রকৃতি আল্লাহর ওয়াহীর সাথে মিলে যায়। সংক্ষিপ্তভাবে ওর বিশ্বাস প্রথম থেকেই থাকে। অতঃপর ওটা শরীয়তের বিস্তারিত ব্যাখ্যাকে মেনে নেয়। তার ফিতরাত বা প্রকৃতি এক একটি মাস্আলার সত্যতা স্বীকার করতে থাকে। অতঃপর সঠিক ও নিখুঁত ফিতরাতের সাথে মিলিত হয় পবিত্র কুরআনের শিক্ষা, যা হযরত জিব্রাঈল (আঃ) আল্লাহর নবীর (সঃ) কাছে পৌঁছিয়ে দেন এবং নবী (সঃ) পৌঁছিয়ে দেন তার উম্মতের কাছে। আল্লাহ পাকের উক্তি (আরবি) অর্থাৎ কুরআনের পূর্বে মূসার (আঃ) কিতাব বিদ্যমান ছিল এবং তা হচ্ছে তাওরাত। এই কিতাবকে আল্লাহ তাআ’লা ঐ যুগের উম্মতের জন্যে পরিচালকরূপে পাঠিয়েছিলেন এবং ওটা ছিল তাঁর পক্ষ থেকে করুণা স্বরূপ। এই কিতাবের উপর যার পূর্ণ ঈমান রয়েছে সে অবশ্যই এই নবী (সঃ) এবং এই কিতাব অর্থাৎ কুরআনে কারীমের উপরও ঈমান আনবে। কেননা, ঐ কিতাব এই কিতাবের উপর ঈমান আনয়নের ব্যাপারে পথ প্রদর্শক স্বরূপ।এরপর আল্লাহ তাআ’লা পূর্ণ কুরআন বা কুরআনের কিছু অংশ অমান্যকারীদের শাস্তির বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন যে, জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে দুনিয়ার যে কোন জামাআত বা দলের কাছে কুরআনের অমীয় বাণী পৌঁছলো, অথচ তারা ওর উপর ঈমান আনলো না তারা নিঃসন্দেহে জাহান্নামী। যেমন আল্লাহ রাব্বল আলামীন স্বীয় পাক কালামের মধ্যে স্বীয় নবীর (সঃ) উক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “যেন আমি তোমাদেরকে এর মাধ্যমে ভয় প্রদর্শন করি এবং তাদেরকেও ভয় প্রদর্শন করি যাদের কাছে এটা পৌঁছে গেছে।” (৬: ১৯) অন্য জায়গায় রয়েছেঃ (আরবি)অর্থাৎ “হে জনমন্ডলী! নিশ্চয় আমি তোমাদের সবারই নিকট আল্লাহর রাসূল রূপে প্রেরিত হয়েছি।” (৭: ১৫৮) আল্লাহ তাআ’লা আরো বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “দলসমূহের যে কেউ এটাকে অমান্য করবে তাদের প্রতিশ্রুত স্থান হচ্ছে জাহান্নাম।” হযরত আবু মুসা আশআরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যে সত্ত্বার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ! এই উম্মতের মধ্য হতে যে ইয়াহুদী বা খৃস্টান আমার কথা শুনলো অথচ ওর উপর ঈমান আনলো না সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।” (এ হাদীসটি ইমাম মুসলিম (রঃ) স্বীয় সহীহ’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন) হযরত সাঈদ ইবনু জুবাইর (রঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “আমি যে বিশুদ্ধ হাদীসই শুনতাম, ওর সত্যতার সমর্থন আল্লাহর কিতাবে অবশ্যই পেতাম। উপরোল্লিখিত হাদীসটি শুনে কুরআন কারীমের কোন্ আয়াতে এর সত্যতার সমর্থন মিলে তা আমি অনুসন্ধান করতে লাগলাম। তখন আমি এই আয়াতটি পেলাম। সুতরাং এর দ্বারা সমস্ত দ্বীনের লোকই উদ্দেশ্য।মহান আল্লাহর উক্তিঃ (আরবি) অর্থাৎ “হে নবী (সঃ) এই পবিত্র কুরআন সরাসরি তোমার প্রতিপালক আল্লাহর পক্ষ হতে আসার ব্যাপারে তোমার মোটেই সন্দেহ পোষণ করা উচিত নয়। যেমন আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “আলিফ, লাম, মীম। এ কিতাবটি (আল কুরআন) বিশ্ব প্রতিপালকের পক্ষ হতে অবতারিত হওয়ার ব্যাপারে কোনই সন্দেহ নেই।” (৩২: ১-২) আল্লাহ পাক আরো বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “আলিফ, লাম, মীম। এই কিতাবে (কুরআনে) কোনই সংশয় ও সন্দেহ নেই।” (২: ১-২)। আল্লাহ পাকের (আরবি) (কিন্তু অধিকাংশ লোকই ঈমান আনয়ন করে না) এই উক্তিটি তাঁর নিম্নের উক্তির মতইঃ (আরবি) অর্থাৎ “তুমি আকাক্ষা করলেও অধিকাংশ লোকই ঈমানদার নয়।” (১২: ১০৩) এক জায়গায় আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “হে নবী (সঃ) তুমি যদি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের অনুসরণ কর তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করে ফেলবে। (৬: ১১৬) আর এক জায়গায় রয়েছেঃ (আরবি)অর্থাৎ “ইবলীস (শয়তান) তাদের উপর নিজের ধারণাকে সত্য রূপে দেখিয়েছে, সুতরাং মু’মিনদের একটি দল ছাড়া সবাই তার অনুসরণ করেছে। (৩৪:২০)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Soma, Sikiliza, Tafuta, na Tafakari Qur'ani

Quran.com ni jukwaa linaloaminika na linalotumiwa na mamilioni duniani kote kusoma, kutafuta, kusikiliza na kutafakari kuhusu Qur'ani katika lugha tofauti. Inatoa huduma za tarjuma, tafsiri, vikariri, tarjuma ya neno kwa neno, na zana za ufahamu wa kina, kuifanya Qur'ani ipatikane na kila mtu.

Kama mbinu ya Sadaqah Jariyah, Quran.com imejitolea kusaidia watu kuunganishwa kwa kina na Qur'ani. Ikiungwa mkono na Quran.Foundation , shirika lisilo la faida la 501(c)(3), Quran.com inaendelea kukua kama rasilimali ya bila malipo na yenye thamani kwa wote, Alhamdulillah.

Chunguza
Nyumbani
Redio ya Qur'ani
Wasomaji
Kutuhusu
Watengenezaji
Sasisho za Bidhaa
Maoni
Msaada
Changia
Miradi Yetu
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Quran.AI
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Miradi isiyo ya faida inayomilikiwa, kusimamiwa, au kufadhiliwa na Quran.Foundation
Viungo Maarufu

Ayatul Kursi

Yaseen

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqi'ah

Al Kahf

Al Muzzammil

Ramani ya tovutiFaraghaSheria na Masharti
© 2026 Quran.com. Haki Zote Zimehifadhiwa