Đăng nhập
Vươn xa hơn sau Ramadan!
Tìm hiểu thêm
Đăng nhập
Đăng nhập
Chọn ngôn ngữ
17:85
ويسالونك عن الروح قل الروح من امر ربي وما اوتيتم من العلم الا قليلا ٨٥
وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلرُّوحِ ۖ قُلِ ٱلرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّى وَمَآ أُوتِيتُم مِّنَ ٱلْعِلْمِ إِلَّا قَلِيلًۭا ٨٥
وَيَسۡـَٔلُونَكَ
عَنِ
ٱلرُّوحِۖ
قُلِ
ٱلرُّوحُ
مِنۡ
أَمۡرِ
رَبِّي
وَمَآ
أُوتِيتُم
مِّنَ
ٱلۡعِلۡمِ
إِلَّا
قَلِيلٗا
٨٥
(Dân Kinh Sách) hỏi Ngươi về linh hồn, Ngươi hãy trả lời họ: “Linh hồn thuộc về kiến thức Thượng Đế của Ta, còn kiến thức mà các ngươi được ban cho chỉ là ít ỏi”.
Tafsirs
Các lớp
Bài học
Suy ngẫm
Câu trả lời
Qiraat
Hadith

সহীহ বুখারী প্রভৃতি সহীহ হাদীস গ্রন্থে হযরত ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “একদা রাসূলুল্লাহ (সঃ) মদীনার জমির উপর দিয়ে চলছিলেন। তাঁর হাতে একটি লাঠি ছিল। আমি তাঁর সঙ্গী ছিলাম। ইয়াহুদীদের একটি দল তাকে দেখে পরষ্পর বলাবলি করেঃ “এসো, আমরা তাঁকে রূহ সম্পর্কে প্রশ্ন করি।” কেউ বলে যে, ঠিক আছে, আবার কেউ বাধা দেয়। কেউ কেউ বলেঃ “এতে আমাদের কি লাভ?” আবার কেউ কেউ বলেঃ “তিনি হয়তো এমন উত্তর দিবেন যা তোমাদের বিপরীত হবে। সুতরাং যেতে দাও, প্রশ্ন করার দরকার নেই। শেষ পর্যন্ত তারা এসে প্রশ্ন করেই বসলো। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তখন লাঠির উপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। আমি বুঝে নিলাম যে, তাঁর উপর ওয়াহী অবতীর্ণ হচ্ছে। আমি নীরবে দাঁড়িয়ে গেলাম। তারপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করলেন।”এদ্বারা বাহ্যতঃ জানা যাচ্ছে যে, এটি মাদানী আয়াত। অথচ সম্পূর্ণ সূরাটি মক্কী। কিন্তু হতে পারে যে, মক্কায় অবতারিত আয়াত দ্বারাই এই স্থলে মদীনার ইয়াহূদীদেরকে জবাব দেয়ার ওয়াহী হয়েছিল কিংবা এও হতে পারে যে, দ্বিতীয়বার এই আয়াতটিই অবতীর্ণ হয়েছিল। মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত রিওয়াইয়াত দ্বারাও এই আয়াতটি মক্কায় অবতীর্ণ হওয়া বুঝা যায়।হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, কুরায়েশেরা ইয়াহুদীদের কাছে আবেদন করেছিলঃ এমন একটি কঠিন প্রশ্ন আমাদেরকে বলে দাও যা আমরা মুহাম্মদকে (সঃ) জিজ্ঞেস করতে পারি।” তারা তখন এই প্রশ্নটাই বলে দেয়। তারই জবাবে এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। তখন এই উদ্ধতরা (ইয়াহূদীরা) বলতে শুরু করেঃ “আমাদের বড় জ্ঞান রয়েছে। আমরা তাওরাত লভি করেছি এবং যার কাছে তাওরাত আছে সে বহু কিছু কল্যাণ লাভ করেছে।” তখন আল্লাহ তাআলা নিম্নের আয়াতটি অবতীর্ণ করেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “বলঃ প্রতিপালকের কথা লিপিবদ্ধ করবার জন্যে সমুদ্র যদি কালিহয় তবে আমার প্রতিপালকের কথা শেষ হবার পূর্বেই সমুদ্র নিঃশেষ হয়ে যাবে- সাহায্যার্থে এর মত আরেকটি সমুদ্র আনলেও।” (১৮:১০৯)।ইকরামা (রাঃ) হতে ইয়াহুদীদের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে এই আয়াতটি অবতীর্ণ হওয়া এবং তাদের ঐ অপছন্দনীয় কথার প্রতিবাদে নিম্নের আয়াতটি অবতীর্ণ হওয়া বর্ণিত আছে। আয়াতটি হচ্ছেঃ (আরবি) অর্থাৎ “সমগ্রজগতে যত বৃক্ষ রয়েছে, যদি তা সমস্তই কলম হয়, আর এই যে সমুদ্র রয়েছে, এটা ছাড়া এইরূপ আরো সাতটি সমুদ্র (কালির স্থল) হয়, তবুও আল্লাহর (গুণাবলীর) বাক্যসমূহ সমাপ্ত হবে না।” (৩১:২৭) এতে কোন সন্দেহ নেই যে, জাহান্নাম হতে রক্ষাকারী তাওরাতের জ্ঞান একটা বড় বিষয়, কিন্তু আল্লাহ তাআলার জ্ঞানের তুলনায় এটা অতি নগণ্য।ইমাম মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক (রঃ) বর্ণনা করেছেন যে, এ বিষয়ে তোমাদেরকে সামান্য জ্ঞানই দেয়া হয়েছে এই আয়াতটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়। যখন নবী (সঃ) হিজরত করে মদীনায় আসেন তখন মদীনার ইয়াহূদী আলেমরা তাঁর কাছে এসে বলেঃ “আমরা শুনেছি যে, আপনি বলে থাকেন? ‘তোমাদেরকে তো অতি সামান্য জ্ঞানই দেয়া হয়েছে এটার দ্বারা কি উদ্দেশ্য আপনার কওম, না আমরা?” উত্তরে তিনি বলেনঃ “তোমরাও এবং তারাও।” তারা তখন বললোঃ “আপনি তো স্বয়ং কুরআনে পাঠ করে থাকেন যে, আমাদেরকে তাওরাত দেয়া হয়েছে এবং কুরআনে এও রয়েছে যে, তাওরাতে সব কিছুরই বর্ণনা রয়েছে?” রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাদের একথার উত্তরে বলেনঃ “আল্লাহ তাআলার জ্ঞানের তুলনায় এটাও অতি নগণ্য। হাঁ, তবে আল্লাহ তোমাদেরকে এটুকু জ্ঞান দিয়েছেন যে, যদি তোমরা এর উপর আমল কর তবে তোমরা অনেক কিছু উপকার লাভ করবে।” তখন (আরবি) এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, ইয়াহুদীরা রাসূলুল্লাহকে (সঃ) জিজ্ঞেস করে যে, দেহের সাথে রূহের শাস্তি কেন হয়? ওটা তো আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে এসেছে? এই ব্যাপারে তার উপর কোন ওয়াহী অবতীর্ণ হয় নাই বলে তিনি তাদেরকে কোন জবাব দেন নাই। তৎক্ষণাৎ তাঁর কাছে হযরত জিবরাঈল (আঃ) আগমন করেন এবং এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। এটা শুনে ইয়াহূদীরা তাকে জিজ্ঞেস করেঃ “এর খবর আপনাকে কে দিলো?” তিনি। জবাবে বলেনঃ হযরত জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহর পক্ষ থেকে এ খবর নিয়ে এসেছিলেন। তারা তখন বলতে শুরু করলোঃ “জিবরাঈল (আঃ) তো আমাদের শত্রু।” তাদের এই কথার প্রতিবাদে আল্লাহ তাআলা নিম্নের আয়াতগুলি অবতীর্ণ করেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তুমি বলঃ যে ব্যক্তি শত্রুতা রাখে জিবরাঈলের (আঃ) সাথে (সে রাখুক), সে পৌঁছিয়েছে এই কুরআনকে তোমার অন্তকরণ পর্যন্ত আল্লাহর হুকুমে যে অবস্থায় তা স্বীয় পূর্ববর্তী কিতাব সমূহের সত্যতা প্রমাণ করছে, আর হিদায়াত করছে ও সুসংবাদ দিচ্ছে মু'মিনদেরকে। যে ব্যক্তি শত্রু হয় আল্লাহর এবং তাঁর ফেরেশতাদের তাঁর রাসূলদের, জিবরাঈলের (আঃ) এবং মীকাঈলের (আঃ) আল্লাহ এরূপ কাফিরদের শত্রু।” (২:৯৭-৯৮) একটা উক্তি এও আছে যে, এখানে ‘রূহ' দ্বারা হযরত জিবরাঈলকে (আঃ) বুঝানো হয়েছে। এও একটা উক্তি যে, এর দ্বারা এমন বিরাট শান শওকত পূর্ণ ফেরেতাকে বুঝানো হয়েছে যিনি একাই সমস্ত মাখলুকের সমান। একটি হাদীসে এও আছে যে, আল্লাহ তাআলার এক ফেরেস্তা এমনও রয়েছেন যে, যদি তাঁকে সাত যমিন ও সাত আসমান একটা গ্রাস করতে বলা হয় তবে তিনি তাই করবেন (অর্থাৎ একগ্রাসে সমস্ত খেয়ে ফেলবেন)। তাঁর তাসবীহ হলো নিম্নরূপ (আরবি) অর্থাৎ “হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র, আপনি যেখানেই থাকুন না কেন।” (এই হাদীসটি গরীব বা দুর্বল, এমনকি মুনকার বা অস্বীকৃত)হযরত আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, একজন ফেরেশতা এমন রয়েছেন। যার সত্তর হাজার মুখ রয়েছে, প্রত্যেক মুখে সত্তর হাজার জিহ্বা রয়েছে’ প্রত্যেক জিহ্বায় আছে সত্তর হাজার ভাষা। তিনি এই সমুদয় ভাষায় আল্লাহ তাআ’লার তাসবীহ পাঠ করে থাকেন। তাঁর প্রত্যেক তাসবীহতে আল্লাহ একজন ফেরেশতা সৃষ্টি করে থাকেন, যিনি অন্যান্য ফেরেশতাদের সাথে আল্লাহর ইবাদতে কিয়ামত পর্যন্ত জীবন কাটিয়ে দেবেন। (এ ‘আসার’ টিও বড়ই বিস্ময়কর ও গারীব। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তাআ'লাই সঠিক জ্ঞানের অধিকারী) সুহাইলীর (রঃ) রিওয়াইয়াতে তো রয়েছে যে, ঐ ফেরেশতার এক লক্ষটি মাথা আছে, প্রত্যেক মাথায় এক লক্ষটি মুখ আছে ,প্রত্যেক মুখে রয়েছে একলক্ষটি ভাষা। বিভিন্ন ভাষায় তিনি আল্লাহ তাআলার পবিত্রতা ঘোষণা করে থাকেন।এটাও আছে যে, এর দ্বারা ফেরেশতাদের ঐ দলটিকে বুঝানো হয়েছে যারা মানুষের আকৃতিতে রয়েছেন। একটি উক্তি এটাও আছে যে, এর দ্বারা এ ফেরেশতাদেরকে বুঝানো হয়েছে যারা অন্যান্য ফেরেশতাদেরকে দেখতে পান, কিন্তু অন্যান্য ফেরেশতারা তাদেরকে দেখতে পান না। সুতরাং এই ফেরেশতারা অন্যান্য ফেরেশতাদের কাছে সেই রূপ যেই রূপ আমাদের কাছে এই ফেরেশতাগণ।এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ স্বীয় নবীকে (সঃ) বলেনঃ “তুমি তাদেরকে জবাবে বলে দাওঃ রূহ্ আমার প্রতিপালকের আদেশে ঘটিত। এর জ্ঞান একমাত্র তাঁরই আছে, আর কারো নেই। তোমাদেরকে যে জ্ঞান দেয়া হয়েছে তা আল্লাহ তাআলারই দেয়া জ্ঞান। সুতরাং তোমাদের এই জ্ঞান খুবই সীমিত।” সৃষ্টজীবের শুধু ঐ জ্ঞানই রয়েছে যে জ্ঞান তিনি তাদেরকে দিয়েছেন। হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত খি (আঃ)-এর ঘটনায় আসছে যে, যখন এই দুই বুর্যগ ব্যক্তি নৌকার উপর সওয়ার হয়ে ছিলেন সেই সময় একটি পাখী নৌকার তক্তায় বসে নিজের চঞ্চটি পানিতে ডুবিয়ে উড়ে যায়। তখন হযরত খি (আঃ) বলেনঃ “হে মূসা (আঃ)! আপনার, আমার এবং সমস্ত সৃষ্ট জীবের জ্ঞান আল্লাহ তাআলার জ্ঞানের তুলনায় এতটুকুই যতটুকু পানি নিয়ে এই পাখীটি উড়ে গেল।” কেউ কেউ বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) ইয়াহুদীদেরকে তাদের প্রশ্নের জবাব দেন নাই। কেননা, তারা অস্বীকার করা ও হঠকারিতার বশবর্তী হয়েই এ প্রশ্ন করে ছিল। এটাও বলা হয়েছে যে, জবাব হয়ে গেছে। ভাবার্থ এই যে, রূহ হচ্ছে আল্লাহ তাআলার শরীয়তের অন্তর্ভুক্ত। তোমাদের এ ব্যাপারে মাথা না ঘামানোই উচিত। তোমরা জানতেই পারছো যে, এটা জানবার প্রকৃতিগত ও দর্শনগত কোন পথ নেই, বরং এটা শরীয়তের ব্যাপার। সুতরাং তোমরা শরীয়তকে কবুল করে নাও। কিন্তু আমরা তো এই পন্থাটিকে বিপদমুক্ত দেখছি। এ সব ব্যাপারে সঠিক জ্ঞানের অধিকারী একমাত্র আল্লাহ।অতঃপর সুহাইলী (রঃ) আলেমদের মতভেদ বর্ণনা করেছেন যে, রূহ কি নফস, না অন্য কিছু? এটাকে এভাবে প্রমাণিত করা হয়েছে যে, রূহ দেহের মধ্যে বাতাসের মত চালু রয়েছে এবং এটা অত্যন্ত সূক্ষ্ম জিনিস, যেমন গাছের শিরায় পানি উঠে থাকে। তার ফেরেশতা যে রূহ মায়ের পেটের বাচ্চার মধ্যে ফুকে থাকেন তা দেহের সাথে মিলিত হওয়া মাত্রই নফস হয়ে যায়। এর সাহায্যে ওটা ভাল মন্দ গুণ নিজের মধ্যে লাভ করে থাকে। হয় আল্লাহর যিকরের সাথে প্রশান্তি আনয়নকারী হয়ে যায়, না হয় মন্দ কার্যের হুকুম দাতা হয়ে যায়। যেমন পানি গাছের জীবন। ওটা গাছের সাথে মিলিত হওয়ার কারণে একটা বিশেষ জিনিস নিজের মধ্যে পয়দা করে নেয়। আঙ্গুর সৃষ্ট হয়, অতঃপর ওর পানি বের করা হয় অথবা মদ তৈরী করা হয়। সুতরাং ঐ আসল পানি অন্য রূপ ধারণ করেছে। এখন ওটাকে আসল পানি বলা যেতে পারে না। অনুরূপভাবে দেহের সাথে মিলিত হওয়ার পর রূহকে আসল রূহ বলা যাবে না এবং নফস ও বলা যাবে না। মোট কথা, রূহ হলো নফস ও মাদ্দার (মূল পদার্থের মূল। আর নফস হলো রূহের এবং ওর দেহের সাথে সংযুক্ত হওয়ার দ্বারা যা হয় সেটাই। সুতরাং রূহটাই নফস। কিন্তু একদিক দিয়ে নয়, বরং সবদিক দিয়েই। এতো হলো মন ভুলানো কথা, কিন্তু এর হাকীকতের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ তাআলারই রয়েছে। মানুষ এ ব্যাপারে অনেক কিছু বলেছেন এবং এর উপর বড় বড় স্বতন্ত্র কিতাব লিখেছেন।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Đọc, Lắng nghe, Tra cứu và Suy ngẫm về Kinh Qur'an

Quran.com là nền tảng đáng tin cậy, được hàng triệu người dùng trên thế giới để đọc, tra cứu, lắng nghe và suy ngẫm Kinh Qur'an bằng nhiều ngôn ngữ, với bản dịch, tafsir, tụng đọc, dịch từng từ và các công cụ học sâu, giúp ai cũng có thể tiếp cận Kinh Qur'an.

Là một Sadaqah Jariyah, Quran.com tận tâm giúp mọi người gắn bó sâu sắc hơn với Kinh Qur'an. Được hậu thuẫn bởi tổ chức phi lợi nhuận 501(c)(3) Quran.Foundation, Quran.com không ngừng phát triển như một nguồn tài nguyên miễn phí và hữu ích cho tất cả, Alhamdulillah.

Điều hướng
Trang chủ
Đài Qur'an
Người đọc kinh
Về chúng tôi
Các nhà phát triển
Cập nhật sản phẩm
Phản hồi
Trợ giúp
Quyên góp
Dự án của chúng tôi
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Quran.AI
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Dự án phi lợi nhuận do Quran.Foundation sở hữu, quản lý hoặc tài trợ
Liên kết phổ biến

Ayatul Kursi

Yaseen

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqi'ah

Al Kahf

Al Muzzammil

Sơ đồ trang webQuyền riêng tưĐiều khoản và điều kiện
© 2026 Quran.com. Bản quyền đã được bảo lưu.